শিশু কন্যার সাথে ঝগড়ার জেরে নাটোরের বড়হরিশপুরে ধারাল বটি দিয়ে বাড়ির মালিকের সাড়ে ৮ বছরের ছেলে বায়েজিদ বিন মাহমুদ নামে এক শিশুর আঙুল কেটে দেওয়ার মামলায় পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে গোপনীয়তার মাধ্যমে আদালত থেকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন নাটোরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান এজাহার সূত্রে জানান, বড়হরিশপুর চেয়ারম্যান রোড এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের বাড়িতে স্ত্রী ও শিশু কন্যা নিয়ে ভাড়া থকেন পুলিশ কনস্টেবল শাকিল। গত বুধবার বাড়ির মালিকের শিশু সন্তানের সাথে শাকিলের ৫ বছর বয়সী শিশু কন্যার খেলার মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে তাদের ঝগড়া মিটিয়ে দেয় পরিবারের সদস্যরা।
এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার শাকিল শিশু বায়েজিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার ফ্ল্যাটে। পরে শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিন দুজনে মিলে ধারাল বটি দিয়ে শিশু বায়েজিদের ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেয়। পরে শিশুর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে শিশু বায়েজিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে অভিযুক্ত করে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বড়হরিশপুর চেয়ারম্যান রোডের একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে। এরপর শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে গোপনীয়তার মাধ্যমে আদালত থেকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন নাটোরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান এজাহার সূত্রে জানান, বড়হরিশপুর চেয়ারম্যান রোড এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের বাড়িতে স্ত্রী ও শিশু কন্যা নিয়ে ভাড়া থকেন পুলিশ কনস্টেবল শাকিল। গত বুধবার বাড়ির মালিকের শিশু সন্তানের সাথে শাকিলের ৫ বছর বয়সী শিশু কন্যার খেলার মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে তাদের ঝগড়া মিটিয়ে দেয় পরিবারের সদস্যরা।
এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার শাকিল শিশু বায়েজিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার ফ্ল্যাটে। পরে শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিন দুজনে মিলে ধারাল বটি দিয়ে শিশু বায়েজিদের ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেয়। পরে শিশুর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে শিশু বায়েজিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে অভিযুক্ত করে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বড়হরিশপুর চেয়ারম্যান রোডের একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে। এরপর শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
নাটোর প্রতিনিধি: